দেশ ও মানুষের উন্নতি কি তাদের পছন্দ নয়, প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী,ড. হাছান মাহমুদ,মানুষের, বিএনপি

রাজনীতি : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, করোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের জিডিপি বেড়েছে এবং মানুষের মাথাপিছু আয় ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে। বিএনপির উচিত ছিলো এর প্রশংসা করা।

অতচ রাত বারোটার পর যারা টেলিভিশনের পর্দা ফাটান, সরকারকে নানা পরামর্শ দেন, তাদেরকেও এবিষয়ে অভিনন্দন দিতে দেখলাম না। দেশ ও মানুষের উন্নতি কি তাদের পছন্দ নয়!

শুক্রবার (২৮ মে) দুপুরে ১২টার দিকে ধানমন্ডিতে অবস্থিত আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে করোনা কিট প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ প্রশ্ন রাখেন।

দীর্ঘমেয়াদি লকডাউন কোনো সমস্যার সমাধান নয় বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের যুগগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘দুই-একদিনের মধ্যে লকডাউনের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। কারণ জীবন ও জীবিকার মধ্যে সমন্বয় ঘটাতে হয়। তবে কিছু বিধিনিষেধ অবশ্যই আমাদের মেনে চলতে হবে। কিছু বিধিনিষেধ না মানলে আমাদের সবার জন্যই বিপদ।

আসন্ন বাজেটে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকা নিয়ে বিএনপির সমালোচনার জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের কাছে আমার সবিনয়ে প্রশ্ন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে নিজে কালোটাকা সাদা করেছিলেন, তার কি জবাব আছে!

আর প্রয়াত সাইফুর রহমান যিনি আব্দুস সাত্তার, জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া- সবার আমলেই অর্থমন্ত্রী ছিলেন, তিনিও কালোটাকা সাদা করেছিলেন, তারই বা কি জবাব! আগে নিজেদের কালোটাকা সাদা করার জবাব দিন, তারপর সরকারের সমালোচনা করুন নয়তো সমালোচনার নৈতিক অধিকারই থাকেনা, বিএনপিকে স্মরণ করিয়ে দেন মন্ত্রী।

তিনি বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। এখানে প্রচুর মানুষ দিন আনে দিন খায়। করোনা ভাইরাসের শুরুতে যারা আমাদের সমালোচনা করে তারাসহ অনেক বিদেশি মিডিয়াও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিল, বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মারা যাবে। করোনা ও অনাহারে রাস্তায় লাশ পড়ে থাকবে।

আল্লাহর অশেষ রহমত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের ফলে তেমন হয়নি। করোনার ১৪ মাসে একজন লোকও না খেয়ে মারা যায়নি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে কয়েক কোটি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দল আওয়ামী লীগকে জনগণের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছিল।

সেই নির্দেশনা মোতাবেক আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি কেন্দ্র থেকে উপজেলা পর্যায়ে সুরক্ষা সামগ্রী এবং খাদ্য সহায়তা দিয়েছে।

এসময় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটির কো-অর্ডিনেটর সুজিত রায় নন্দীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিখ/মুন্না