সীতাকুণ্ডে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্যজট!

সীতাকুণ্ডে-অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর-মৃত্যুকে ঘিরে-রহস্যজট

দেশের খবর,সীতাকুণ্ড।। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধু কাকলী রানী দেবী (২০) ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। তবে নিহতের পরিবার এটাকে হত্যা বলে দাবী করায় রহস্যজট তৈরি হয়েছে।

জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের ৪নং ওয়ার্ড কালাশশির বাড়ীতে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করা গৃহবধুর মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনাস্থল থেকে সীতাকুণ্ড মডেল থানা পুলিশের টিম প্রাথমিক আলামত জব্দ করে এবং লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। স্থানীয়দেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানায়, তিন মাস আগে একই ইউনিয়নের দক্ষিণ মহাদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা ও পোশাক কারখানায় চাকুরিজীবি নয়ন দেব নাথের সাথে বিয়ে হয় নিহত কাকলির।

বিয়ের পর থেকে চাকরীর সুবাধে স্বামী ঢাকায় থাকতেন। সম্প্রতি ঈদের ছুটিতে তিনি বাড়িতে আসেন এবং ঘটনার দিন দুপুরে একসাথে বসে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে ভাতও খেয়েছে কাকলি।

বিকাল বেলা বাড়ির মহিলারা সবাই মিলে মন্দিরে মনসা পুঁথি পড়ছিল আর তার স্বামী নয়ন ঘরের বাইরে হাটতে বের হয়েছিলো। কিছুক্ষন পরে স্বামী নয়ন এসে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পাই।

পরে ঘরের দরজা দিয়ে কাকলিকে ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখে দরজা ভেঙ্গে পরিবারের অন্য লোকজন নিয়ে কাকলিকে নিচে নামিয়ে নেন। পরে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে কাকলির মরদেহ উদ্ধার করে।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার এসআই ইলিয়াস মাহামুদ ঘটনাস্থল থেকে অন্তঃসত্বা কাকোলির লাশ উদ্ধারের তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করি।

তিনি বলেন, নিহতের পরিবার এটাকে হত্যা বলে দাবী করছে। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে ও ঘটনাস্থলেল আলামতে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে।

এরপরও লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসলে সঠিকভাবে জানা যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা। যদি হত্যার কোন আলামত পাওয়া যায় তবে আমরা পুনরাই হত্যা মামলা নেব।

ডিখ/ইমরান/প্রিন্স