সিনোফার্মের আরো ৩০ লাখ ডোজ টিকা ঢাকায় পৌঁছেছে

সিনোফার্মের-ডোজ টিকা-ঢাকায় পৌঁছেছে

দেশের খবর,জতীয়।। চীন থেকে সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা দেশে পৌঁছেছে। বেইজিং এয়ারপোর্ট থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ তিনটি ফ্লাইটে এই ৩০ লাখ টিকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তাছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ শাখার উপমহাব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও টিকা পৌছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চীন থেকে সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় ১০ লাখ টিকা নিয়ে প্রথম ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এরপর রাত সোয়া ১টায় আরো ১০ লাখ টিকা নিয়ে আসে দ্বিতীয় ফ্লাইটটি। আর তৃতীয় ফ্লাইটটি আরো ১০ লাখ টিকা নিয়ে রাত সোয়া ৩টায় ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

এর আগে ৩০ লাখ ডোজ করোনার টিকা দেশে আনার লক্ষ্যে ২৯ জুলাই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অত্যাধুনিক তিনটি ড্রিমলাইনার (একটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ও দুইটি বোয়িং ৭৮৭-৮) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চীনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব টিকা দেশে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

আন্তর্জাতিক এভিয়েশন নীতিমালা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সুরক্ষানীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করে করোনাকালে সাশ্রয়ী খরচে টিকা, ভেন্টিলেটর ও অন্যান্য সুরক্ষাসামগ্রী পরিবহন করছে বিমান।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক জানান, সিনোফার্ম থেকে আসা এসব টিকা গাজীপুরে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ওয়্যারহাউজে রাখা হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনায় সেখান থেকে চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন প্রান্তে টিকা পাঠানো হবে।

এর আগে, গত ১২ মে প্রথমবারের মতো সিনোফার্মের পাঁচ লাখ টিকা দেশে আসে। সেই টিকাগুলো চীন সরকার বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দেয়। ১৯ মে সরকার চীনের সিনোফার্মের তৈরি সার্স-কোভ-টু ভ্যাকসিন সরাসরি ক্রয়ের নীতিগত অনুমোদন দেয়।

চীনের সিনোফার্ম থেকে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্যিকভাবে কেনা ১০ লাখ ডোজ টিকার প্রথম চালান দেশে আসে ২ জুলাই। পরদিন সিনোফার্ম থেকে ১০ লাখ ডোজ টিকা আসে। সর্বশেষ গত ১৭ জুলাই রাতে দুই চালানে আরও ২০ লাখ ডোজ টিকা দেশে আসে।

দেশে সরকার গণটিকাদানের যে কর্মসূচি শুরু করেছে, তার একটি বড় অংশে এসব টিকা দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, ৮ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। এরপর তা ব্যবহারে অনুমোদন দেয় বাংলাদেশও।

ডিখ/প্রিন্স